ড. ইউনূস ও টিআইবিকে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হবে : আওয়ামী লীগ

Hasan-Mahmud-Briefing-01.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, টিআইবি ও বাংলাদেশের কিছু বুদ্ধিজীবী। কানাডার আদালতে সেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের এখন জাতির কাছে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ একথা বলেন।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধে ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ ব্যক্তির কাছে ধর্না দিয়েছিলেন। তাকে তিনি এ বিষয়ে ইমেইল দিয়েছিলেন। টিআইবি এবং দেশের নামকরা কিছু বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব দুর্নীতি প্রমাণ হওয়ার আগেই দুর্নীতি হয়েছে বলে হৈচৈ শুরু করে দেন। তখন তাদের ভূমিকা দেখে মনে হয়েছিল, দেশের স্বার্থ সম্মান তাদের কাছে কিছুই নয়। মূলত তাদের তৎপরতার কারণেই পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, সন্দেহ নেই এতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। প্রকল্পের কাজ দুবছর পিছিয়েছে। দেশ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেতু নির্মাণের কাজ চলছে, কারো ষড়যন্ত্রই কোনো কাজে আসেনি। পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়।

তিনি বলেন, যারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। যদিও এটা সরকারের দায়িত্ব, তবুও ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন, এ নিয়ে চিন্তাভাবনার সময় এসেছে।

এই রায়ের পর বিএনপির অবস্থান প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, দুদক যখন বলেছিল পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি, তখন বিএনপি তা মেনে নেয়নি। বিএনপি তখন বলেছিল, সরকার নিজেদের বাঁচাতে দুদককে প্রভাবিত করেছে। এমনটি কানাডার আদালতের রায়ের পরও তারা নিজেদের অবস্থান থেকে এতটুকুও সরে আসেনি। তাদের চরিত্র গ্রাম্য মোড়লের মতো।

Share this post

scroll to top