আমি কান পেতে রই

University-Classroom-011.jpg

কোনো যুগে, কোনো দেশে শুধু এক অর্থবছরের বাজেটের সাহায্যে ‘অর্থনৈতিক বিপ্লব’ সংঘটিত হয়নি। বর্তমান সময়ে বাজেটে অভিনবত্ব, সৃজনশীলতা ও স্বাতন্ত্র্য দেখানোর সুযোগও বেশ কম। এখনকার বাজেটের ৭৫ শতাংশই হলো নিয়মিত অনুশীলন; যেগুলো বলা যায় অনেকটা অন্ধভাবেই অনুসরণ করতে হয় একটি উন্নয়নশীল দেশকে। আর বাজেটে উন্নয়ন অংশীদারদের ভূমিকা কেমন থাকবে, যে কোনো অর্থবছরে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর বাজেট বক্তৃতা পড়ুন, হয়তো আশ্চর্য রকম সাদৃশ্য খুঁজে পাবেন।

অর্থ বিভাগ এরই মধ্যে বাজেটের কাঠামোগত ভিত্তি, দার্শনিক দিকনির্দেশনা, এমনকি খাতওয়ারি প্রাধিকার নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। বলা হচ্ছে, ২০১৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার বিদায়ী অর্থবছর থেকে ১৬ শতাংশের মতো বেশি বা ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকার মতো হতে পারে। এই যাত্রায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম বাজেট তথা ২০১০ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৫ অর্থবছরে তা পৌঁছায় ২ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার বস্তুতই মনে করে বড় আকারের বাজেট প্রবৃদ্ধি বাড়াবে। যেন বেশি ব্যয় বেশি আয়ের পথ প্রশস্ত করবে।

বাস্তবতায় নিজেদের বাজেটের ওপর আলো ফেলার আগে বহির্বিশ্বের পরিস্থিতি একটু দেখে নেয়া ভালো। তাতে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় থাকবে। দেখা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যসামগ্রীর দাম নিম্নমুখী। অর্থনৈতিক সংকট থেকে অনেকটা বেরিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইউরোপ এখনো সমস্যায় নিমজ্জিত। তথাপি আমাদের বাণিজ্য পরিস্থিতি তুলনামূলক ইতিবাচক বার্তা দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রায় ১২ শতাংশ করে বাড়ছে আমাদের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি। কৌতূহলোদ্দীপক চিত্র হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য হ্রাস সত্ত্বেও কেন জানি স্থানীয় বাজারে মূল্যস্ফীতি খুব কমেনি। এর অর্থ, বাইরে থেকে দেখলে যেমন মনে হয় তেমন সুশৃঙ্খলভাবে কার্যকর নয় অভ্যন্তরীণ বাজার। রাজস্ব আহরণেও যেন অতীতের গতিশীলতা হারিয়ে যাচ্ছে। রিজার্ভ পরিস্থিতি বেশ ভালো, তবে খুব বাড়েনি আমদানি। তার সঙ্গে কমেছে কিছু পণ্যের দামও। উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই, বিশেষত মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্প-কারখানায় ব্যবহূত জরুরি কাঁচামাল আমদানি হ্রাসের ঘটনায়। সহজে আমদানি-রফতানির চিত্র পেতে আমরা এলসি (ঋণপত্র) খোলার ওপর নজর রাখি। এবারে এলসি খোলার যে হাল দেখছি, তাতে খুব একটা ভরসা পাচ্ছি না। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি যেমনটা হওয়ার কথা ছিল, তেমনটা নেই। এখানে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি যেন থেমে গেছে জিডিপির ২৫ শতাংশের চক্করে; যার ১৯ শতাংশ বেসরকারি ও ৬ শতাংশ সরকারি খাতের অবদান। বাংলাদেশে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ সম্ভাবনা বিকাশের অন্যতম অন্তরায় রাজনৈতিক সংঘাত-সহিংসতা। তাই রিজার্ভ বাড়লেও বিনিয়োগে মন্দা, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ধীরগতি, আমদানি হ্রাস (মূল্যস্ফীতি কমাতে এর সাফল্যের কথা মাথায় রেখেই বলছি) প্রভৃতি সমস্যায় দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এত বেশি জর্জরিত যে, আসন্ন বাজেট নিয়ে উচ্চাভিলাষী হওয়ার সুযোগ কমই। পত্রপত্রিকা, রেডিও, টিভি যেন সময়ই পাচ্ছে না এদিকে নজর দেয়ার।

মূল্যস্ফীতি বাড়লে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। ফলে নিকট অতীতে যখন মারাত্মকভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়া শুরু করল, সঠিকভাবেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হন সচেতনরা। তারা চাইছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিক এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে হাতে থাকা সব অস্ত্র প্রয়োগ করুক। এ আবেদনে যথাযথভাবেই সাড়া দিয়েছেন তারা। সমস্যা হলো, প্রয়োগবিধিতে অতিসতর্কতার জন্যই হয়তো কিছু অস্ত্র ফিরে এসেছে বুমেরাং হয়ে। এতে মগডালে চড়েছে সুদের হার, ভুল বার্তা পেয়েছে শেয়ারবাজার। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা-টা গিয়ে পড়েছে ওইসব সত্ ব্যবসায়ীর ওপর, যারা এমনিতেই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। স্নাতক পর্বের প্রথম বছর সামষ্টিক অর্থনীতি পড়াতে গিয়ে বলা হয়েছিল, শেয়ারবাজারে তারল্যের জোগানদাতা হিসেবে বড় ভূমিকা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। লেখক পশ্চিমা বলেই হয়তো বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তার জানা ছিল না। থাকলে আত্মবিশ্বাসের সুরে ওমন কথা বলতে পারতেন না, নিদেনপক্ষে দুবার ভাবতে হতো। যাহোক, এরই মধ্যে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতির বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে এটি যে ‘হল-মার্ক’ ও ‘বিসমিল্লাহ’ কেলেঙ্কারি দ্বারা আর্থিক ও অনার্থিক উভয়ভাবেই কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ খলনায়কদের অপকর্মের খেসারত এখন দিতে হচ্ছে অন্যান্য ব্যবসায়ীকে। তারা ব্যাংকে গেলেই ব্যাংকাররা কেমন জানি দৃষ্টিতে তাকান তাদের দিকে; ঋণ দিলেও কিছু ক্ষেত্রে আগের উষ্ণ সম্পর্ক নেই। আরো বিপদ হলো, তাদের ব্যবসায় পরিচালন ব্যয় বেড়েছে এরই মধ্যে। শেয়ারবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও রয়েছেন এক ধরনের বিভ্রান্তির মধ্যে। ফলে এ বাজারে যতটুকু ছিল, শুকিয়েছে সে পুঁজিটুকুও। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা বা বয়স্ক নাগরিকদের সুবিধা দেয়ার জন্য সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বাড়ানো হলো। ব্যাংকে সুদের হার কমলেও এ হার কমানোয় জনপ্রিয়তামুখী সরকার এখন দ্বিধাগ্রস্ত।

আমাদের প্রাক্কলিত জিডিপির প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে ১ থেকে ১ দশমিক ২০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ! কারো কারো ধারণা, অতিকায় হস্তী সদৃশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে এক ধরনের সন্তুষ্টি রয়েছে সরকারের মধ্যে। তবে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থাপনার অন্যান্য দিক চিন্তা করলে এ অর্জন নিয়ে উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই। আমি বলব, বিদ্যুত্ উত্পাদন পরিস্থিতি মোটামুটি সামলাতে পেরেছে বর্তমান সরকার। একটি ভাবনা মাঝে মধ্যে ঘুরপাক খায়। ধরুন, হঠাত্ সিংহভাগ বেসরকারি বিদ্যুত্ উত্পাদনকারী (আইপিপি, রেন্টাল প্রভৃতি) মিলে সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর এ ব্যবসা করবে না বা এখানে এ ব্যবসা করবে না। তখন কী দাঁড়াবে আমাদের বিদ্যুত্ পরিস্থিতি? এও তো খতিয়ে দেখা দরকার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুত্ উত্পাদন জাতীয় ব্যালান্স শিটে কী পরিমাণ বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের কৃষি খাত। তবে সবকিছু সত্ত্বেও বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন, আমাদের কৃষির অগ্রগতি সরলরৈখিক নয়তো? শুধুই বোরো-আলু উত্পাদন বাড়াচ্ছি না তো আমরা? এক্ষেত্রে গুণগত ও ভারসাম্যপূর্ণ অর্জন আসলে কতটুকু? কৃষিপণ্যের মূল্য পরিস্থিতি কেমন এখানে? ভোক্তারা কত দামে কিনছেন? কেমন দাম পাচ্ছেন কৃষক? রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কী হাল? এর অধিকাংশই নাকি ঋণভারে জর্জরিত অথবা দেউলিয়া হওয়ার পথে। আফসোস হয়, প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাবে এগুলো স্বাভাবিক কাজ করতে পারছেনা।

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য পদ্মা সেতু হওয়াটা জরুরি। সেজন্য আসন্ন অর্থবছরেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অতিরিক্ত বরাদ্দ থাকবে স্বভাবতই। প্রশ্ন হলো, এ বাড়তি বরাদ্দ দেয়া হবে কোত্থেকে? এটি কি অন্য কর্মসূচি ছেঁটে দেয়া হবে, নাকি দেয়া হবে নতুন বরাদ্দ থেকে? জানি না। উল্টো আরো কিছু জিজ্ঞাসা আছে। পদ্মা সেতুর জন্য বিদ্যুত্ খাত থেকে বরাদ্দ কমাবেন? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কি তা সহ্য করবে? যদি কৃষি খাত থেকে চাওয়া হয়? কৃষিমন্ত্রী এ ছাড় দিতে রাজি হবেন বলে মনে হয় না। শিক্ষামন্ত্রী ভদ্রলোক; তাই মুখ ফুটে হয়তো কিছু বলেন না তিনি। কিন্তু তারও তো বাড়তি বরাদ্দ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় উত্সাহিতকরণ, মাদ্রাসা ব্যবস্থাকে মূলধারায় ফেরানো প্রভৃতি কর্ম সম্পন্নের জন্যও তো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা দরকার। অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন বাজেটে শিক্ষার ওপর আরো জোর দিতে হবে। বরাদ্দ বাড়াতে হবে। আছে জেলা বাজেট ইস্যুও। অথচ স্থানীয় পর্যায়ে আর্থিক ব্যবস্থাপনা মজবুত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এটি প্রয়োজন বৈকি। আছে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টিও। বেশ টাকা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের ব্যাপক মূল্যহ্রাস অবশ্য বাজেট ঘাটতি মোকাবেলা কিছুটা সহজ করবে। তবে জনপ্রিয়তার বাহানায় দফায় দফায় সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানোর মধ্যেও অনেক সমস্যা রয়েছে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা তথা সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী সম্প্রসারণ করারও জোর দাবি রয়েছে।

শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধিই কি যথেষ্ট? মোটেই নয়। বরাদ্দের টাকা ব্যবহার করতে হবে। ভালোভাবে, গুণগতভাবে ব্যবহার করতে হবে। কেন জানি আমাদের দেশে ১ টাকা আয় করার চেয়ে ১ টাকা ভালোভাবে, কার্যকরভাবে ব্যয় করা অনেক কঠিন। তাই দেখছি অর্থবছরের সাত মাসে ব্যয় হয়েছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাত্র ৩২ শতাংশ টাকা। এখন তাড়াহুড়ো করে ব্যয় বাড়ালে প্রকল্পের মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হচ্ছে না, বরাদ্দকৃত টাকার যথাবিহিত ব্যবহার নিশ্চিতকরণও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি খাত চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বললে ভুল হবে না। এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে বাড়ছে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ, রাজনীতিতে বাড়ছে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা। বেসামরিক প্রশাসনের তেজ কিছু ক্ষেত্রে ম্রিয়মাণ। এসব দেখে বুঝতে অসুবিধা হয় না, রাষ্ট্রীয় পুঁজি গঠনের ওপর থেকে ফোকাস সরে গেছে বাংলাদেশের। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আর কোনো দ্বন্দ্ব নয়। আমাদের এমন পদক্ষেপ নেয়া উচিত, যাতে সরকারি বিনিয়োগে অনুপ্রেরণা পেয়ে আরো বিকশিত হয় বেসরকারি খাত; সৃষ্টি করে কর্মসংস্থান। সরকারি খাত আরো শক্তিশালীকরণের দুর্ভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে নীতিনির্ধারকদের। বরং এখন ভাবা উচিত, বেসরকারি খাতকে কীভাবে টেকসই ও লাভজনক করে তোলা যায়; কীভাবে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে ক্রমাগতভাবে সম্পৃক্ত করা যায় অধিক সংখ্যক মানুষকে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি খাতকে অধিক দৃষ্টি দিতে হবে দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে; নিজের আকার বৃদ্ধির প্রতি নয়।

কাঙ্ক্ষিত হারে প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের জন্য বেসরকারি খাতের ওপর প্রত্যক্ষ নির্ভরশীলতা যেমন অপরিহার্য, তেমনি উন্নয়নের সুফল তথা বণ্টনমূলক ন্যায্যতা ক্রমে দেশের সব মানুষের দোরে পৌঁছে দিতে সরকারি খাতে দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। আগেই বলেছি, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি কিন্তু এ সমস্যার তেমন সমাধান দেবে না। দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সরকারের আকার-আয়তনের বিষয়টিও যুক্ত। যুক্ত জবাবদিহিতা। কাউকে সাহস করে যেন বলতেই শুনছি না, আমাদের কি এতগুলো মন্ত্রণালয় প্রয়োজন? জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রামের পোস্ট অফিস, ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের আর কী ধরনের ব্যবহার বাড়ানো যায়, তার কথাও বেশি শুনছি না। তবে শুনতে হবে, শোনাতে হবে অর্থমন্ত্রীকে।

Share this post

scroll to top